
চ্যানেল বাগেরহাট — অনলাইন নিউজ পোর্টাল
www.channelbagerhat.com
আপনার সহযোগিতার সামান্য সহানুভূতি বাবা ফিরে পাবে তার সন্তান।
বাগেরহাট বিশেষ প্রতিনিধি,, মুন্সি আলী আকবর

খেলনা হাতে মাঠে দৌড়ানোর কথা যে বয়সে, সেই বয়সে হাসপাতালের বিছানায় ধুঁকছে ছোট্ট আহাদ। জন্ম থেকেই জন্মগত জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত এই শিশুর শৈশব হারিয়ে গেছে নিদারুণ যন্ত্রণা আর ওষুধপত্রের কড়াকড়িতে। চোখের সামনে একমাত্র সন্তানের তিলে তিলে হারিয়ে যাওয়া দেখছেন মা, আর নিরূপায় হয়ে আকাশ পানে চেয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন বাবা।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারশিয়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস রুবেল মোল্লা ও তার পরিবারের। পেশায় একজন অটোচালক রুবেল প্রতিদিনের ঘাম ঝরানো আয়ে টেনেটুনে চালিয়ে নিতেন চার সদস্যের সংসার। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে সেই ছোট্ট পরিবারটিতে নেমে এসেছে ঘোর অমানিশা। মাত্র দুই বছর বয়সেই তীব্র অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশু আহাদ। প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনার বিশেষজ্ঞদের কাছে নিয়ে গেলে ধরা পড়ে তার ডান কিডনিটি প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
সন্তানকে বাঁচানোর আকুল আর্তনাদে সর্বস্বান্ত বাবা-মা মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে চেন্নাইয়ের ভেলোরে নিয়ে যান আহাদকে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেই ইতোমধ্যে ৮ লাখের বেশি টাকা খরচ হয়ে গেছে। ভেলোরের চিকিৎসকদের সাফ কথা—আহাদকে বাঁচাতে এখন জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, যার আনুমানিক খরচ প্রায় ৭ লাখ টাকা। একজন গরিব অটোচালকের পক্ষে এই আকাশচুম্বী অর্থ জোগাড় করা অসম্ভব এক পাহাড় সমান চ্যালেঞ্জ।
ছেলের এই করুণ পরিণতি দেখে স্থানীয় এলাকাবাসীও আজ শোকে ও চিন্তায় ম্রিয়মান। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের একটু সহযোগিতাই পারে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট আহাদের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে। আপনাদের সামান্য সহানুভূতি ও আর্থিক সাহায্য হয়তো আবারও রঙিন করে তুলতে পারে আহাদের হারিয়ে যাওয়া শৈশব।
যেভাবে সাহায্য পাঠাতে পারেন:
অসহায় ছোট্ট আহাদের চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে যোগাযোগ করতে পারেন।
যোগাযোগের নম্বর: (01843-420170, 01854-204425)



